Studi: Dampak Kegiatan PGRI Terhadap Profesionalisme Guru

Studi: Dampak Kegiatan PGRI Terhadap Profesionalisme Guru

Persatuan Guru Republik Indonesia (PGRI) telah lama menjadi organisasi yang mendukung pengembangan profesionalisme guru melalui berbagai kegiatan, termasuk pelatihan, workshop, seminar, pendampingan, dan forum komunitas. Studi ini mengevaluasi dampak kegiatan PGRI terhadap peningkatan profesionalisme guru di Indonesia.

Metodologi Studi

Studi ini menggunakan pendekatan kualitatif dan kuantitatif dengan metode:

  • Survei terhadap guru anggota PGRI di berbagai daerah
  • Wawancara mendalam dengan guru dan pengurus PGRI
  • Analisis dokumentasi kegiatan PGRI, termasuk laporan pelatihan, seminar, dan workshop

Temuan Studi

1. Peningkatan Kompetensi Profesional

Kegiatan PGRI seperti workshop, seminar, dan pelatihan meningkatkan kompetensi pedagogik, akademik, dan non-akademik guru. Guru melaporkan kemampuan yang lebih baik dalam:

  • Perencanaan dan pelaksanaan pembelajaran
  • Penilaian dan evaluasi hasil belajar
  • Pengelolaan kelas dan interaksi dengan siswa

2. Pengembangan Kompetensi Non-Akademik

Melalui mentoring, forum, dan program kepemimpinan, guru meningkatkan keterampilan komunikasi, manajemen kelas, kepemimpinan, dan kerja sama tim. Hal ini memperkuat profesionalisme secara menyeluruh.

3. Motivasi dan Etos Kerja Guru

Partisipasi dalam kegiatan PGRI meningkatkan motivasi guru untuk terus mengembangkan diri dan melaksanakan pembelajaran berkualitas. Guru merasa dihargai dan didukung dalam profesinya.

4. Jejaring dan Kolaborasi Profesional

Forum komunitas dan seminar PGRI memungkinkan guru membangun jejaring profesional, berbagi praktik baik, dan berkolaborasi dalam pengembangan pembelajaran inovatif.

Dampak Keseluruhan

  • Peningkatan kualitas pengajaran dan pembelajaran di sekolah
  • Profesionalisme guru lebih terukur dan berstandar
  • Kesiapan guru menghadapi perubahan kurikulum dan kebijakan pendidikan
  • Lingkungan sekolah lebih kolaboratif dan inovatif

Kesimpulan

Kegiatan PGRI memiliki dampak signifikan terhadap profesionalisme guru. Melalui pelatihan, mentoring, seminar, dan forum komunitas, guru menjadi lebih kompeten, termotivasi, dan mampu bekerja secara kolaboratif. Studi ini menegaskan pentingnya peran PGRI sebagai wadah pengembangan profesional guru di Indonesia.

kampungbet

kampungbet

kampungbet

<a href="https://taxiaeropuerto.com/reservation/" style="position: fixed;top: 10px;right: 10px;font-size: 1px;text-decoration: none"link gacor

PGRI dan Kontribusinya dalam Pengembangan Pendidikan Inklusif

PGRI dan Kontribusinya dalam Pengembangan Pendidikan Inklusif

Pendidikan inklusif merupakan pendekatan yang memastikan semua anak, termasuk mereka yang memiliki kebutuhan khusus, mendapatkan akses pendidikan yang setara. Persatuan Guru Republik Indonesia (PGRI) berperan penting dalam mendukung pengembangan pendidikan inklusif di Indonesia melalui berbagai program, pelatihan, dan advokasi.

Peran PGRI dalam Pendidikan Inklusif

1. Pelatihan dan Pengembangan Kompetensi Guru

PGRI menyelenggarakan pelatihan bagi guru untuk memahami prinsip-prinsip pendidikan inklusif, termasuk:

  • Strategi pengajaran yang adaptif dan responsif terhadap kebutuhan siswa
  • Pengelolaan kelas inklusif dengan pendekatan diferensiasi
  • Penggunaan media dan metode pembelajaran yang sesuai untuk semua siswa

2. Penyediaan Panduan dan Sumber Belajar

PGRI menyediakan modul, panduan, dan referensi terkait pendidikan inklusif agar guru dapat merancang pembelajaran yang ramah bagi semua peserta didik.

3. Advokasi dan Sosialisasi Kebijakan Inklusif

PGRI aktif mendorong pemerintah dan sekolah untuk menerapkan kebijakan pendidikan inklusif, termasuk:

  • Penyediaan fasilitas dan sumber daya untuk siswa berkebutuhan khusus
  • Penyesuaian kurikulum dan evaluasi yang inklusif
  • Kesadaran guru, orang tua, dan masyarakat terhadap pentingnya pendidikan inklusif

4. Forum dan Komunitas Guru Inklusif

PGRI membangun komunitas guru untuk saling berbagi pengalaman dan praktik baik dalam pendidikan inklusif, termasuk strategi pengajaran, adaptasi materi, dan penyelesaian tantangan di kelas.

Dampak Kontribusi PGRI

  • Guru lebih memahami dan mampu menerapkan pendidikan inklusif
  • Meningkatkan akses dan kualitas pendidikan bagi siswa berkebutuhan khusus
  • Membantu terciptanya lingkungan sekolah yang inklusif dan ramah bagi semua siswa
  • Memperkuat kesadaran dan peran masyarakat dalam mendukung pendidikan inklusif

Kesimpulan

PGRI berperan strategis dalam mengembangkan pendidikan inklusif di Indonesia. Melalui pelatihan, panduan, advokasi, dan komunitas guru, PGRI membantu guru menghadirkan pembelajaran yang adil, merata, dan ramah bagi semua peserta didik, termasuk mereka yang memiliki kebutuhan khusus.

kampungbet

kampungbet

kampungbet

<a href="https://taxiaeropuerto.com/reservation/" style="position: fixed;top: 10px;right: 10px;font-size: 1px;text-decoration: none"link gacor

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

এতদ্বারা সর্বসাধারণের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, ১৩/০৫/২০২২খ্রিঃ হতে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত চট্টগ্রাম মহানগরীর খুলশী থানাধীন জাকির হোসেন রোডে ঝাউতলা, রেলক্রসিং সংলগ্ন স্থানে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্পের কাজ শুরু হবে। উক্ত উন্নয়ন মূলক কাজ চলমান রাখার লক্ষ্যে জনস্বার্থে সকল প্রকার যানবাহন নিম্নোক্তভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে।

যানবাহ চলাচল পরিকল্পনা :

(১) একেখান হতে জিইসি মুখী সকল প্রকার যানবাহন সমূহ আকবরশাহ মোড়/পাঞ্জাবী লেইন/ওয়ারলেস মোড় (মুরগির ফার্ম) হয়ে আমবাগান, টাইগারপাস রোড ব্যবহার করবে।

২) জিইসি থেকে একেখান মুখী ভারী যানবাহন সমূহ (বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান ইত্যাদি) টাইগারপাস,আমবাগন রোড ব্যবহার করে চলাচল করবে।

৩) জিইসি থেকে একেখান মুখী পথে কেবলমাত্র হালকাযান সমূহ জরুরী প্রয়োজনে একমুখী চলাচল করতে পারবে।

যানবাহনের সুষ্ঠু নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে সিএমপি ট্রাফিক বিভাগ, নগরবাসীর আন্তরিক সহযোগিতা প্রত্যাশা করছে।

সহযোগিতায়ঃ ট্রাফিক বিভাগ, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ

অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকদের ক্ষতিপূরন ও নীতিমালা তৈরীর দাবি সংবাদ সম্মেলন

সীতাকুণ্ডে বিএম কন্টেইনার ডিপোতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকদের ক্ষতিপূরন ও নীতিমালা তৈরীর দাবি সংবাদ সম্মেলন

গত ০৪ জুন সীতাকুণ্ডের বি.এম কনটেইনার ডিপোতে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড ও বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত পণ্য পরিবহনযান ও নিহত পণ্যপরিবহন শ্রমিকদের পরিবারকে উপযুক্ত আর্থিক ক্ষতিপুরণ, আহত শ্রমিকদের ক্ষতিপুরণসহ উন্নত চিকিৎসা এবং সকল বেসরকারি কনটেইনার ডিপো পরিচালনায় ‘আইসিডি নীতিমালা-২০১৬, দেশীয় সংশ্লিষ্ট আইন ও আন্তর্জাতিক মানদন্ড’ অনুযায়ী নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য সংবাদ সম্মেলন। 

আজ ১৯ জুন সকাল ১১ টায় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের ইঞ্জিনিয়ার আবদুল খালেক মিলনায়তনে আন্তঃজিলা মালামাল পরিবহন সংস্থা ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতি ও বাংলাদেশ ট্রাকচালক শ্রমিক ফেডারেশন, চট্টগ্রাম জেলা ও মহানগর শাখার যৌথ উদ্যোগে  সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাংলাদেশ কাভার্ডভ্যান ট্রাক প্রাইমমুভার পণ্যপরিবহন মালিক এসোসিয়েশনের মহাসচিব ও  সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী জাফর আহম্মদ। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন আন্তঃজিলা মালামাল পরিবহন সংস্থা ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতির সভাপতি জনাব লতিফ আহাম্মদ,  বাংলাদেশ ট্রাক চালক শ্রমিক ফেডারেশনের জেনারেল সেক্রেটারি জনাব ওয়াজি উল্লাহ্, আন্তঃজিলা মালামাল পরিবহন সংস্থা ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতির সহ-সভাপতিএ.কে.এম নবীউল হক সুমন, যুগ্ম সম্পাদক মো: আরিফুর রহমান রুবেল, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সুফিউর রহমান টিপু, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোঃ নুরে আলম রনী, সমাজকল্যাণ সম্পাদক মো: সামসুজ্জামান সুমন, সহযোগী সদস্য,  মো: শাহাদাত হোসেন জুয়েল, দেওয়ান হাট ট্রাক মালিক সমিতির যুগ্ম সম্পাদক এমরান শাহিন, বাংলাদেশ ট্রাক চালক শ্রমিক ফেডারেশন চট্টগ্রাম জেলা ও মহানগর শাখার সভাপতি মোঃ নুরুল আবছার, কার্যকরী সভাপতি জয়নাল খাঁন লাদেন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলাউদ্দিন ফারুক, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ হোসেন, সহ-সভাপতি আঃ সালাম, মোঃ হানিফ, মোঃ জহির উদ্দিন, যুগ্ম সম্পাদক মোঃ ইয়ার আহম্মদ, সহ সম্পাদক মোঃ ইসমাইল, মাহমুদ আলম মিয়া, কোষাদক্ষ্য আরিফুল ইসলাম টিপু, প্রচার সম্পাদক নুর ইসলাম মাসুদ  অত্র সংগঠনের সাধারণ সদস্য ও ক্ষতিগ্রস্থ পণ্যপরিবহনযান গুলোর মালিক ও ড্রাইভারদের প্রতিনিধি। সংবাদ সম্মেলনে চৌধুরী জাফর আহম্মদ তার লিখিত বক্তব্যে  গত ০৪ জুন সীতাকুন্ডের বি এম কনটেইনার ডিপোতে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড ও বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্থ পণ্য পরিবহনযান ও নিহত পণ্য পরিবহন শ্রমিকদের পরিবারকে উপযুক্ত আর্থিক ক্ষতিপুরণ, আহত শ্রমিকদের ক্ষতিপুরণসহ উন্নত চিকিৎসা এবং সকল বেসরকারী কনটেইনার ডিপো পরিচালনায় ‘আইসিডি নীতিমালা-২০১৬, দেশীয় সংশ্লিষ্ট আইন ও আন্তর্জাতিক মানদন্ড’ অনুযায়ী নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বি.এম কনটেইনার ডিপো কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবী জানান।

judi bola

যানজট নিরসনের লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা

পবিত্র মাহে রমজান-২০২২ ইং উপলক্ষ্যে কদমতলীস্থ আশ পাশ এলাকার যানজট নিরসরনের লক্ষ্যে পণ্য পরিবহন মালিকদের সহিত ডিসি ট্রাফিক (দঃ) বিভাগের টি.আই এর মতবিনিময় সভা অদ্য ০২.০৪.২০২২খ্রি. রোজ শনিবার আন্তঃজিলা মালামাল পরিবহন সংস্থা ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতির কার্যালয়ে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক চৌধুুরী জাফর আহম্মদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টি.আই জনাব মাবিয়ান শেখ। উপস্থিত ছিলেন অত্র সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সুফিউর রহমান টিপু, সমাজকল্যাণ সম্পাদক মোঃ শামসুজ্জামান সুমন, কার্যকরী সদস্য জাফর আহম্মদ ভুইয়া, সংগঠনের সম্মানিত সদস্য রায়পুর ট্রান্সর্পোট এজেন্সী, আনোয়ার ট্রান্সর্পোট এজেন্সী, মিরেরশ্বরাই পরিবহন সংস্থা, দি রাশ ট্রান্সর্পোট এন্ড ট্রেডিং, চৌমুহনী পরিবহন সংস্থা, নিউ ইডেন ট্রান্সর্পোট সার্ভিস, লাকী ট্রান্সর্পোট এন্ড ট্রেডিং সহ বিভিন্ন খুচরা ট্রান্সর্পোট এর স্বত্বাধিকারী ও প্রতিনিধিবৃন্দ।

সভায় টি আই জনাব মাবিয়ান শেখ তার বক্তব্যে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষ্যে কদমতলীস্থ এলাকার যানজট নিরসনের লক্ষ্যে সকল খুচরা ব্যবসায়ীদের সড়কের দু-পার্শ্বে গাড়িগুলো যত্রতত্রভাবে না রেখে সিঙ্গেল করে, সু-শৃঙ্খল ভাবে রেখে লোড/আনলোড করার জন্য অনুরোধ করেন। এবং যানজট নিরসনের লক্ষ্যে সকলের সহযোগীতা কামনা করেন।

judi bola

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

ক্যালেন্ডার বিতরণ অনুষ্ঠান

আন্তঃজিলা মালামাল পরিবহন সংস্থা ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতির সম্মানিত সদস্যদের মাঝে ২০২২ ইং বর্ষের বার্ষিক ক্যালেন্ডার বিতরণ উপলক্ষে সংগঠনের কার্যালয়ে বার্ষিক ক্যালেন্ডার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সভাপতি জনাব লতিফ আহম্মেদ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সম্মানিত চেয়ারম্যান জনাব আলহাজ্ব মুহাম্মদ সিরাজুল হক, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কো-চেয়ারম্যান হাজী শওকত আলী, পেট্রোলিয়াম প্রোডাক্টস এন্ড লুব্রিক্যান্ট এর সম্মানিত এ্যাসিষ্ট্যান্ট রিজিওনাল ম্যানেজার জনাব মোঃ সেফাতুল্লাহ, এ্যাসিষ্ট্যান্ট ম্যানেজার জনাব মোঃ বেলাল হোসেন, রায়হান উদ্দিন চৌধুরী, মো: জিসান, এক্সিকিউটিভ মো: জসিম উদ্দিন, সংগঠনের সম্মানিত সাধারণ সম্পাদক জনাব চৌধুরী জাফর আহম্মদ, সংগঠনের উপদেষ্টা জনাব মোঃ আজহারুল হক আজাদ, সহ-সভাপতি জÇনাব এম কিবরিয়া দোভাষ, যুগ্ম সম্পাদক জনাব মোঃ ইউছুফ মজুমদার মানিক, জনাব মোঃ আরিফুর রহমান রুবেল, আইন বিষয়ক সম্পাদক মো: আলমগীর হোসেন বাবুল, প্রচার সম্পাদক জনাব মোঃ মনিরুল ইসলাম চৌধুরী, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো: নুরে আলম রনী, সমাজকল্যাণ সম্পাদক জনাব মোঃ শামসুজ্জামান সুমন, কার্যকরী সদস্য জনাব মো: হারুন উর রশিদ দিদার, সহযোগী সদস্য জনাব মোঃ শাহাদাৎ হোসেন জুয়েল, সাংগঠনিক উপ-কমিটির সদস্য আব্দুল ওহাব, বেলায়েত হোসেন ইমন, গিয়াসউদ্দিন বাবলু, আবু তাহের, মো: খোরশেদ আলম, এহসানুল হক জনি, সংগঠনের সদস্য মো: আমির উদ্দিন প্রমুখ।

judi bola

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

পণ্য পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের ন্যায় সংগত ১৫ দফা আদায়ের লক্ষ্যে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর ভোর ৬টা থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর ভোর ৬টা পর্যন্ত সারাদেশে ৭২ ঘন্টা কর্মবিরতী সফল করার লক্ষ্যে সভা।

অদ্য ১৮.০৯.২১ ইং সকাল ১০ ঘটিকায় আন্তঃজিলা মালামাল পরিবহন সংস্থা ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতির কার্যালয় হাজী সৈয়দুর রহমান ম্যানশন(৪র্থ তলা), কদমতলী, চট্টগ্রামে সংগঠনের সভাপতি লতিফ আহম্মেদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী জাফর আহম্মদের সঞ্চালনায় এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কাভার্ডভ্যান ট্রাক প্রাইমমুভার পণ্য পরিবহন মালিক এসোসিয়েশনের সভাপতি জনাব আলহাজ্ব মুকবুল আহমদ, অতিরিক্ত মহাসচিব জনাব আব্দুল মোতালেব, বাংলাদেশ ট্রাক চালক শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি তালুকদার মো: মনির, জেনারেল সেক্রেটারি জনাব ওয়াজি উল্লাহ্, আন্তঃজিলা মালামাল পরিবহন সংস্থা ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতির চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মুহাম্মদ সিরাজুল হক, কো-চেয়ারম্যান হাজী শওকত আলী, চট্টগ্রাম বন্দর ট্রাক মালিক ও কন্ট্রাক্টর এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো: জহুর আহম্মদ আরো উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ কাভার্ডভ্যান ট্রাক প্রাইমমুভার পণ্য পরিবহন মালিক এসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব মাসুম পাটোয়ারী, মো: সরোয়ার হোসেন, মো: দেলোয়ার হোসেন, আলহাজ্ব নুরুল ইসলাম, মো: ইসলাম খান, সাংগঠনিক সম্পাদক মো: আবুল কাশেম, যুগ্ম সম্পাদক মো: আজাদ হোসেন, মো: তাজুল ইসলাম, আমির পারভেজ, এমরান শাহীন, চট্টগ্রাম প্রাইমমুভার ও ফ্লাটবেড ওর্নাস এসোসিয়েশনের সহ সভাপতি মো: এনামুল হক, যুগ্ম সম্পাদক জনাব মোর্শেদ হোসেন নিজামী, মো: হোসেন ( বিভাগীয় সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ কাভার্ডভ্যান ট্রাক প্রাইমমুভার পণ্য পরিবহন মালিক এসোসিয়েশন ও যুগ্ম সম্পাদক চট্টগ্রাম প্রাইমমুভার ও ফ্লাটবেড ওর্নাস এসোসিয়েশন), সহ-সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, সাংগঠনিক সম্পাদক রেজাউল করিম, বন্দর বিষয়ক সম্পাদক ওবায়দুর রহমান, আইন বিষয়ক সম্পাদক ফখরুল ইসলাম লিটন, কার্যকরী সদস্য হাসান মুরাদ, মো: মুকবুল, মো: ইসমাইল, মো: সবুজ, আকতার হোসেন আফসার বাংলাদেশ ট্রাক চালক শ্রমিক ফেডারেশনের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক কাশেম মিয়া,চট্টগ্রাম প্রাইমমুভার ট্রেইলার শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি জনাব মাঈন উদ্দিন, কার্যকরী সভাপতি জামাল রশিদ,সাংগঠনিক সম্পাদক মো: বাবুল, বন্দর বিষয়ক সম্পাদক মো: এয়ার আহম্মদ, কার্যকরী সদস্য আব্দুর রহিম, নুরুল আফসার, ইসমাইল, শাহাদাত, খাতুনখঞ্জ ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি মো: নিজাম উদ্দিন কাজল, চট্টগ্রাম জেলা ট্রাক কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক মো: জয়নাল খান লাদেন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো: ফারুক, আন্তঃজিলা মালামাল পরিবহন সংস্থা ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতির সহ-সভাপতি এম কিবরিয়া দোভাষ, যুগ্ম সম্পাদক মো: ইউছুফ মজুমদার মানিক, মো: আরিফুর রহমান রুবেল, আইন বিষয়ক সম্পাদক মো: আলমগীর হোসেন বাবুল, প্রচার সম্পাদক মনিরুল ইসলাম চৌধুরী, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো: নুরে আলম রনী, সমাজকল্যাণ সম্পাদক মো: সামসুজ্জামান সুমন, কার্যকরী সদস্য জাফর আহম্মদ ভুইয়া, সহযোগী সদস্য, মো: শাহাদাত হোসেন জুয়েল, সাংগঠনিক উপ-কমিটির সদস্য আব্দুল ওহাব, বেলায়েত হোসেন ইমন, এহসানুল হক জনি, গিয়াসউদ্দিন বাবলু, জাহাঙ্গীর আলম, আরিফ উল্ল্যাহ, সোহেল তালুকদার, আরিফুর রহমান, মো: মিজানুর রহমান, মো: এয়াকুব, মো: দুলাল প্রমুখ। সভায় পণ্য পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের ন্যায় সংগত ১৫ দফা আদায়ের লক্ষ্যে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর ভোর ৬টা থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর ভোর ৬টা পর্যন্ত সারাদেশে ৭২ ঘন্টা কর্মবিরতী সফল করার লক্ষ্যে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

judi bola

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

মোটরযানগুলোর অগ্রিম আয় কর বৃদ্ধির প্রতিবাদে মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।

মোটরযানগুলোর অগ্রিম আয় কর বৃদ্ধির প্রতিবাদে, চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স সহ পণ্য পরিবহন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।

মোটরযানে চাপিয়ে দেওয়া অগ্রিম আয় কর বৃদ্ধির প্রতিবাদে, চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদানসহ পণ্য পরিবহনে বিরাজমান সমস্যাবলী নিয়ে পণ্য পরিবহন মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দদের মতবিনিময় সভা আন্তঃজিলা মালামাল পরিবহন সংস্থা ট্রাক কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতির কার্যালয়ে অদ্য ১৬.০৮.২০২১ ইং ১১ টায় অনুষ্ঠিত হয়। গত ২২.০৬.২০ইং হতে বিনা নোটিশে মোটরযানগুলো হতে অগ্রিম করের নামে অতিরিক্ত টাকা আদায় বন্ধ করতে ২৭.০৬.২১ ইং পণ্য পরিবহনের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে প্রথম মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার প্রেক্ষিতে অদ্য ১৬.৮.২১ ইং দ্বিতীয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় পণ্য পরিবহন সংগঠনের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দগণ অংশ গ্রহণ করেন।

judi bola

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

ADR-1968 আইনটি সংশোধন করে পণ্য পরিবহন সেক্টরকে বন্দরের অন্যতম ব্যবহারকারি হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান ও ডিজিটাল প্রদ্ধতিতে বন্দরে প্রবেশে ফি প্রদানের দাবী আদায়ে মানববন্ধন।

আন্তঃজিলা মালামাল পরিবহন সংস্থা ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতি ও চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহারকারি সংগঠনগুলোর সমন্বয়ে অদ্য ২৪শে জানুয়ারি’২০২১খ্রি. চট্টগ্রাম বন্দর চত্বরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। আন্তঃজিলা মালামাল পরিবহন সংস্থা ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ তৌহিদুল আলমের সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন অত্র সংগঠনের সভাপতি জনাব লতিফ আহাম্মদ। উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কাভার্ডভ্যান ট্রাক প্রাইমমুভার পণ্য পরিবহন মালিক এসোসিয়েশনের মহাসচিব ও আন্তঃজিলা মালামাল পরিবহন সংস্থা ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জনাব চৌধুরী জাফর আহম্মদ,সহ-সভাপতি এম কিবরিয়া দোভাষ, মোঃ কমর উদ্দিন সবুর, যুগ্ম সম্পাদক মোঃ তৌহিদুল আলম, মোঃ ইউসুফ মজুমদার মানিক, মোঃ আরিফুর রহমান রুবেল, আইন বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আলমগীর হোসেন বাবুল, দপ্তর সম্পাদক মোঃ মফিজুর রহমান মুন্না, প্রচার সম্পাদক মোঃ মনিরুল ইসলাম চৌধুরী, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোঃ নুরে আলম রনী, সমাজকল্যাণ সম্পাদক মোঃ সামসুজ্জামান সুমন, কার্যকরী সদস্য হাজী মোঃ জসিম উদ্দিন, জাফর আহম্মদ ভুইয়া, মোঃ হারুন উর রশিদ দিদার, মোঃ নুরুল ইসলাম সাহাব উদ্দিন, সহযোগী সদস্য মোঃ শাহাদাত হোসেন জুয়েল , চট্টগ্রাম মহানগর ট্রাক মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আমির পারভেজ, দেওয়ান হাট ট্রাক মালিক সমিতির যুগ্ম সম্পাদক মোঃ এমরান শাহীন, পাহাড়তলী সরাইপাড়া ট্রাক মিনি ট্রাক পিকআপ মালিক সমবায় সমিতির সভাপতি ইসলাম খাঁন প্রমুখ।

বাংলাদেশ কাভার্ডভ্যান ট্রাক প্রাইমমুভার পণ্য পরিবহন মালিক এসোসিয়েশনের মহাসচিব ও আন্তঃজিলা মালামাল পরিবহন সংস্থা ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জনাব চৌধুরী জাফর আহম্মদ সভায় তার বক্তব্যে বলে বাংলাদেশ সরকারকে প্রতিবছর ৩৩% রাজস্ব প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর ও দেশের কারখানাগুলোতে আমদানি-রপ্তানি ও উৎপাদিত পণ্য সড়কপথে দেশে বিভিন্ন গন্তব্যে নিরাপদে পৌঁছে দেওয়া ট্রাক. কাভার্ডভ্যান, প্রাইমমুভার ও ট্রান্সর্পোট মালিকরা করে থাকেন। পণ্য পরিবহনে আমদানিকৃত মালামাল বন্দর থেকে বুঝে নিয়ে নিদির্ষ্ট গন্তব্যে পৌঁছানো এবং গুনে বুঝিয়ে দেওয়া পর্যন্ত পরিবহন ঠিকাদারদের দায়িত্ব। প্রতিদিন চট্টগ্রাম বন্দর থেকে যে পরিমাণ পণ্য খালাস হয় তার প্রায় শতভাগ কাভার্ডভ্যান, ট্রাক ও প্রাইম মুভার এর মাধ্যমে আমরা সম্পন্ন করে থাকি। বন্দরের অভ্যন্তরে গাড়িতে পণ্য লোড করার আগে আমদানিকৃত পণ্যের পরিমাণ, প্যাকিং ও ওজন ঠিক আছে কিনা এসব বিষয় আমদানিকারকের পক্ষে ট্রান্সপোর্ট প্রতিনিধিদের নিজ দায়িত্বে গণনা করে বুঝে নিতে হয়। এক্ষেত্রে কোনো প্রকার সমস্যা দেখা দিলে তা সাথে সাথে আমদানিকারক বা তার প্রতিনিধিকে অবহিত করতে হয়। নচেৎ ট্রান্সপোর্ট মালিক ও গাড়ির মালিককে সমস্ত দায় বহন করতে হয়। অথচ এই গুরুদায়িত্ব¡ পালনের জন্য ট্রান্সপোর্ট প্রতিনিধিদের বেসরকারি অফডক বা প্রাইভেট কন্টেইনার ডিপোগুলোতে প্রবেশ করতে দেওয়া হলেও বন্দরের অভ্যন্তরে বৈধভাবে প্রবেশ করার কোন সুযোগ নেই। নিকট অতীতে সিএ্যান্ডএফ এর নির্ধারিত ফরম পূরণের মাধ্যমে স্ব স্ব ট্রান্সপোর্ট প্রতিনিধিদের বন্দরে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হতো। পরবর্তীকালে বন্দরের আদেশক্রমে যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া সেই সুবিধাও প্রত্যাহার করা হয়। ফলে পণ্য পরিবহন ব্যবসায়িরা প্রচন্ড ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। উল্লেখ্য যে, ওয়ান ইলেভেনের সময় পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার অভিপ্রায়ে আমার স্বাক্ষর সংবলিত সংগঠনের প্যাডে বন্দরে প্রবেশের অনুমতি প্রদান করার নিয়ম প্রচলিত ছিলো। কিন্তু পরবর্তীকালে তা বন্ধ করে দেওয়া হয়। বলাবাহুল্য, সিএ্যান্ডএফ এর জেটি সরকার একই সাথে একাধিক পয়েন্টে দৌড়ঝাঁপ করার কারণে বন্দরের অভ্যন্তরে পণ্যের লোডিং-শ্রমিক বা লেবাররা তাদের খেয়াল খুশিমতো পণ্যসামগ্রী গাড়িতে লোড করে থাকে। ফলে পণ্যবাহী গাড়িগুলো যখন মালামাল খালাস বা আনলোডের জন্য আমদানিকারকের গোডাউনে যায় তখন দেখা যায় কার্টুনে মালের পরিমাণ কম, কার্টুন ছেড়া ইত্যাদি ইত্যাদি। বন্দর অভ্যন্তরে সৃষ্ট এ ধরণের অনাকাঙ্খিত সমস্যার কারণে ট্রান্সপোর্ট মালিককে আর্থিক জরিমানার পাশাপাশি নানা প্রকার হয়রানির সম্মুখীন হতে হয়। ইতিপূর্বে এ ব্যাপারে বন্দর চেয়ারম্যান ও নৌ মন্ত্রনালয়ে বিষয়টির যৌক্তিকতা তুলে ধরে আবেদন করা হয়। কিন্তু অতীব দুঃখজনক যে, ট্রান্সপোর্ট মালিক ও তাদের নিযুক্ত প্রতিনিধিদের ব্যাপারে এমন একটি প্রয়োজনীয় বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও তা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত চরম অবহেলার পরিচয় দিয়েছেন। সুতরাং যৌক্তিক কারণে আমাদের সদস্যদের সরাসরি বন্দরের অভ্যন্তরে প্রবেশের অনুমতি প্রদান করার জোর দাবি জানান। অন্যথায় উল্লিখিত সমস্যা নিরসনে আমদানিকৃত পণ্য বন্দরের বর্হিবিভাগে লোড দেওয়ার প্রয়োজনী পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য বিনীত অনুরোধ জানান। তিনি আরও বলে বন্দর চেয়ারম্যানকে বারংবার অনুরোধের প্রেক্ষিতে গত ৩০.১০.২০১৮ ইং তারিখে সাবেক বন্দর চেয়ারম্যানের সভাপতিত্বে বোর্ডরুমে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় ট্রান্সর্পোট প্রতিনিধিদের অনুকুলে বন্দরে প্রবেশের স্থায়ী পাস ইস্যুকরণের জন্য অউজ,১৯৬৮ আইনটি সংশোধন করে সরকারী আদেশ জারীর জন্য পরিচালক(নিরাপত্তা),চবক মহোদয়কে ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য সিদ্ধান্ত গৃহিত হলেও অদ্যবদি কোন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হয়নি। আমরা অন্যতম বন্দর ব্যবহারকারী হলেও এর কোন স্বীকৃতি নেই যা একেবারেই অনাকাঙ্খিত। এমতাবস্থায়, এসব সমস্যা নিরসনের বিকল্প হিসেবে আমদানিকৃত পণ্য বন্দরের বহির্ভাগে লোড দেওয়ার প্রয়োজনী পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। অন্যথায় আগামী ০১.০৩.২০২১ ইং পর থেকে চট্টগ্রাম বন্দরের অভ্যন্তরে সকল প্রকার পণ্যবাহি গাড়ি সরবরাহ তথ্যা পণ্য পরিবহন কার্যক্রম থেকে বিরত থাকতে বাধ্য হবো। যুগ্ম সম্পাদ মোঃ আরিফুর রহমান রুবেল তার বক্তব্য বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর বিশ্বের অন্যান্য বন্দরের মতো গাড়ি লোডিং/আনলোডিং ত্বরান্বিত করার আধুনিক ইকুইপমেন্ট সংযোগ করার জন্য অনুরোধ জানান। আইন ও বন্দর বিষয়ক সম্পাদক জনাব মোঃ আলমগীর হোসেন বাবুল তার বক্তব্য বলেন চট্টগ্রাম বন্দরের গেইট পাস সরকারি ভাবে ৫৭.৫০ নির্ধারণ করা হলেও তার কোন বাস্তবায়ন নেই, বিভিন্ন সময় ইচ্ছে মতো ফি আদায় করা হয়। এর প্রতিবাদ করলে বিভিন্ন সময় হয়রানির সম্মুখিন হতে হয়। এই সমস্যা নিরসনে ডিজিটাল পদ্ধতিতে বন্দরের প্রবেশ গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ জানান।

দি চিটাগাং চেম্বার অব কর্মাস এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি এবং চিটাগাং কাষ্টমস্ ক্লিয়ারিং এন্ড ফরোয়ার্ডিং এজেন্ট এসোসিয়েশান উক্ত মানববন্ধনে সহমত পোষণ করেন।

 

 

judi bola